আমিরুল মুমিনীন মোল্লা হাইবাতুল্লাহ আখুনজাদা( হাফি.) সংক্ষিপ্ত জীবনি।

আমিরুল মুমিনীন মৌলভি হাইবাতুল্লাহ আখুনজাদা (জন্ম ১৯৬১, কান্দাহার প্রদেশ ,আফগানিস্তান )  ( পশতু ভাষায়: ﻫﺒﺖ ﺍﻟﻠﻪ ﺍﺧﻮﻧﺰﺍﺩﻩ; আরবি ভাষায়: ﻫﻴﺒﺔ ﺍﻟﻠﻪ ﺃﺧﻮﻧﺪ ﺯﺍﺩﻩ ) হলেন আফগানিস্তানের ইসলামিক  ইমারতের প্রধান বা আমীর। ২১শে জুন তালিবানের সাবেক প্রধান মোল্লা আখতার মানসুর (রহ.)মার্কিন চালকবিহীন ড্রোন বিমান হামলায় নিহত হওয়ার পর তাকে এই পদে নির্বাচিত করা হয়। তিনি একজন ধর্মীয় পণ্ডিত, এছাড়া জনশ্রুতি অনুসারে তিনি তালিবানের অধিকাংশ ফতোয়া জারি করে থাকেন। আমিরের দায়িত্ব গ্রহণের পূর্বে তিনি তালিবানের ইসলামী আদালতের প্রধান বিচারক ছিলেন।

আমিরুল মুমিনীন মৌলভি হাইবাতুল্লাহ আখুনজাদা (হাফি.)

দায়িত্ব কর্তব্য

                          অধিকৃত অফিস

                           ২৫শে মে ২০১৬

 পূর্বসূরী : মোল্লা আখতার মানসুর( রহ.)

ব্যক্তিগত বিবরণ

জন্ম প্রায় ১৯৬১ (বয়স ৫৫) [১]

জম্মস্থান : কান্দাহার প্রদেশ ,আফগানিস্তান [১]

ধর্ম: ইসলাম ( সুন্নি )

সামরিক পরিষেবা

আনুগত্য মুজাহিদীন

আফগানিস্তানের ইসলামী ও জাতীয় বিপ্লব আন্দোলন তালিবান

কার্যকাল :১৯৯৬-বর্তমান

পদ :আমিরুল মুমিনীন 
প্রারম্ভিক জীবন

আমিরুল মুমিনীন মোল্লা হাইবাতুল্লাহ আখুনজাদা ১৯৬১ সালে আফগানিস্তানের 

কান্দাহার প্রদেশের কোন একস্থানে জন্মগ্রহণ করেন। জাতিতে পশতুন এই তালিবান নেতা নূরজাই গোত্রের অন্তর্ভূক্ত। আরবিতে তার নামের প্রথম অংশ হাইবাতুল্লাহ অর্থ হলো আল্লাহ্র পক্ষ থেকে উপহার ।



তালেবান শাসিত আফগানিস্তানে ভূমিকা (১৯৯৬-২০০১)


১৯৯৬ সালে আফগান তালিবানরা যখন রাজধানী কাবুল দখল করে ও তাদের আমিরাত প্রতিষ্ঠা করে তখন মৌলভি আখুনজাদা আফগানিস্তান ইসলামি আমিরাতের শরিয়াহ আদালতের প্রধান বিচারক নিযুক্ত হন। অন্যান্য তালিবান প্রধানদের মত তিনি যুদ্ধবাজ বা সামরিক কমান্ডার ছিলেন না কিন্তু ধর্মীয় নেতা হিসেবে তালিবানের অধিকাংশ ফতোয়া জারি করার জন্য বিখ্যাত ছিলেন বা ধর্মীয় ব্যাপারগুলোর নিষ্পত্তি করতেন। তার অন্যান্য পূর্বসূরীগণের তুলনায় তিনি অন্যান্য দিক থেকেও আলাদা ছিলেন। তিনি পাকিস্তানে শিক্ষাজীবন সম্পন্ন করেছেন। এছাড়া তার পূর্বসূরীগণ মার্কিন অভিযানের সময় পূর্ব দিকে ডুরান্ড লাইনের দিকে স্থানান্তরিত হয়েছিলেন কিন্তু ধারণা করা হয় যে আখুনজাদা পুরো অভিযানের সময় ও পরবর্তী সময়য়েও (১৯৯৬-২০১৬) আফগানিস্তানে বসবাস করেছেন। তার বিদেশ ভ্রমণের কোন নথি-পত্রও নেই যদিও কোয়েটা ভিত্তিক তালিবান শূরাদের সাথে ভালো সম্পর্ক রয়েছে।
তালেবান প্রধান 
২০১৬ সালের ২৫ মে আখুনজাদাকে মোল্লা আখতার মনসুরের উত্তরসূরি হিসেবে তালেবানের সর্বোচ্চ নেতা নিয়োগ দেয়া হয়। মনসুর একটি মার্কিন ড্রোন হামলায় নিহত হয়েছিলেন। এই হামলা মার্কিন রাষ্ট্রপতি বারাক ওবামা অনুমোদন করেছিলেন। তার মতে মনসুরের অপসারণের ফলে তালেবানরা সরকারের সাথে শান্তি প্রক্রিয়ায় যোগ দেবে। [৪][৫] তালেবান, আফগান সরকার ও মার্কিন রাষ্ট্রপতি ওবামা সবাই মনসুরের মৃত্যুর কথা আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করে নেন। [৬][৭] একজন তালেবান মুখপাত্র জানান যে সিরাজউদ্দিন হাক্কানি প্রথম ডেপুটি ও মোল্লা ওমরের পুত্র মোল্লা মুহাম্মদ ইয়াকুব দ্বিতীয় ডেপুটি নিযুক্ত হয়েছেন।

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s